বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)



নো মাস্ক নো সার্ভিস। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এখনই ডাউনলোড করুন Corona Tracer BD অ্যাপ। ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন https://bit.ly/coronatracerbd। নিজে সুরক্ষিত থাকুন অন্যকেও নিরাপদ রাখুন। দেশের প্রথম ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম 'একদেশ'- এর মাধ্যমে আর্থিক অনুদান পৌঁছে দিন নির্বাচিত সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে। ভিজিট করুন ekdesh.ekpay.gov.bd অথবা “Ek Desh” অ্যাপ ডাউনলোড করুন। করোনার লক্ষণ দেখা দিলে গোপন না করে ডাক্তারের পরামর্শের জন্য ফ্রি কল করুন ৩৩৩ ও ১৬২৬৩ নম্বরে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নিয়ম মেনে মাস্ক ব্যবহার করুন। আতঙ্কিত না হয়ে বরং সচেতন থাকুন। ভিজিট করুন corona.gov.bd

ব্যানবেইস সম্পর্কে

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিতরণ ও প্রচারের একমাত্র সরকারি সংস্থা।১৯৭৬-৭৭ অর্থ বৎসরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসাবে সংস্থাটি কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে সংস্থাটি শিক্ষাক্ষেত্রে ধারাবাহিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে শিক্ষাতথ্য বিনির্মাণ ও সরবরাহ করে জাতীয় ও আন্তজার্তিক সংস্থাসমূহের কাছে সমাদৃত হয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান কার্যক্রম ছাড়াও শিক্ষা সেক্টরে আই.সি.টি. প্রশিক্ষন ও আই.সি.টি. শিক্ষার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

ইতিবৃত্ত

স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর নির্দেশনায় গঠিত ড. মুহাম্মদ কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশনের ১৯৭৪ সালে প্রণীত সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্বাধীন     বাংলাদেশে পৃথক একটি শিক্ষাতথ্য সংস্থা হিসেবে ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।সীমিত জনবল নিয়ে একজন পরিচালকের অধীনে ২ জন বিভাগীয় প্রধানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে কম্পিউটার বিভাগ যুক্ত করে প্রতিষ্ঠানের কলেবর বৃদ্ধি করা হয়। বর্তমানে একজন মহাপরিচালকের নেতৃত্বে প্রধান কার্যালয়ে ১৬৭ জন এবং মাঠ পর্যায়ে এ ৬৪০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করছেন । 

ব্যানবেইস ভবন

প্রতিষ্ঠালগ্নে ধানমন্ডির ভাড়া বাড়িতে এ প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম শুরু করলেও অল্প সময়েই সরকার কর্তৃক পলাশী-নীলক্ষেত সড়কের মধ্যবর্তী স্থানে (১ জহির রায়হান সড়ক) ভবন তৈরির জন্য ২ বিঘা মূল্যবান জমি প্রদান করা হয়। প্রাথমিকভাবে একটি দোতলা ভবন তৈরি করা হয় বর্তমানে ভবনটি পাঁচতলায় উন্নীত হয়ে আধুনিকরূপ পরিগ্রহ করেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস- ২০২১ এর উদ্বোধন এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক- ২০২১ প্রদান অনুষ্ঠান